Showing posts with label Nazrul shongeet. Show all posts
Showing posts with label Nazrul shongeet. Show all posts

Saturday, October 7, 2017

Dur dipobashinii - দূর দ্বীপবাসীনি



দূর দ্বীপবাসীনি, চিনি তোমারে চিনি
দারুচিনিরো দেশে, তুমি বিদেশীনিগো
সুমন্দভাসীনি।।
প্রশান্ত সাগরে তুফানেও ঝড়ে
শুনেছি তোমারি অশান্ত রাগীনি।।
বাজাও কি বুণো সুর পাহাড়ী বা‍শীতে
বনান্ত ছেয়ে যায় বাসন্তী হাসিতে।।
তব কবরী মূলে, নব এলাচীরো ফুল
দুলে কুসুম বিলাসিনী।।

Durgom giri kantar moru - দুর্গম গিরি কান্তার মরু



দুর্গম গিরি কান্তার মরু দুস্তর পারাবার হে!
লঙ্ঘিতে হবে রাত্রি নিশীথে, যাত্রীরা হুঁশিয়ার।।
দুলিতেছে তরী, ফুলিতেছে জল, ভুলিতেছে মাঝি পথ-
ছিঁড়িয়াছে পাল কে ধরিবে হাল, কার আছে হিম্মত।
কে আছো জোয়ান, হও আগুয়ান, হাঁকিছে ভবিষ্যত,
এ তুফান ভারী, দিতে হবে পাড়ি, নিতে হবে তরী পার।।
তিমির রাত্রি, মাতৃ-মন্ত্রী সান্ত্রীরা সাবধান-
যুগ-যুগান্ত সঞ্চিত ব্যথা ঘোষিয়াছে অভিযান।
ফেনাইয়া ওঠে বঞ্চিত বুকে পুঞ্জিত অভিমান,
ইহাদেরে পথে নিতে হবে সাথে, দিতে হবে অধিকার।।
অসহায় জাতি মরিছে ডুবিয়া, জানে না সন্তরণ-
কান্ডারী, আজি দেখিব তোমার মাতৃ-মুক্তি-পণ।
হিন্দু না ওরা মুসলিম-ওই জিজ্ঞাসে কোন্‌ জন,
কান্ডারী, বল, ডুবিছে মানুষ সন্তান মোর মা’র।।
গিরি-সংকট, ভীরু যাত্রীরা, গরজায় গুরু বাজ-
পশ্চাৎ পথ যাত্রীর মনে সন্দেহ জাগে আজ।
কান্ডারী, তুমি ভুলিবে কি পথ? ত্যজিবে কি পথ মাঝ?
করে হানাহানি, তবু চল টানি’-নিয়েছ যে মহাভার।।
ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা জীবনের জয়গান-
আসি’ অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে তারা দিবে কোন বলিদান!
আজি পরীক্ষা জাতির অথবা জাতেরে করিবে ত্রাণ,
দুলিতেছে তরী, ফুলিতেছে জল, কান্ডারী হুঁশিয়ার।।

Dolon chapa bone dole- দোলনচাঁপা বনে দোলে



দোলনচাঁপা বনে দোলে দোলপূর্ণিমা রাতে চাঁদের সাথে,
শ্যামপল্লব কোলে, যেন দোলে রাঁধার লতার দোলনাতে।।

যেন দেবকুমারীর শুভ্র হাসি, ফুল হয়ে দোলে ধরায় আসি
আরতির মৃদুজ্যোতি প্রদীপ কলি দোলে, যেন দেউল আঙিনাতে।।

বুনোদেবীর ওকি রুপালি ঝুমকা চৈতি সমীরণে দোলে
রাতের সলাজ আঁখিতারা যেন তিমির আঁচলে দোলে, দোলে।

ও যেন মুঠিভরা চন্দন গন্ধ, দোলেরে গোপিনীর গোপন আনন্দ
ও কি রে চুরি করা শ্যামের নুপুর,
তন্দ্রা যামিনীর মোহন হাতে।।

Dokkhino shomiiron shathe - দক্ষিণ সমীরণ সাথে বাজো বেণুকা



দক্ষিণ সমীরণ সাথে বাজো বেণুকা।
মধু –মাধবী সুরে চৈত্র –পূর্ণিমা রাতে, বাজো বেণুকা।।

বাজো শীর্ণা–স্রোত নদী–তীরে
ঘুম যবে নামে বন ঘিরে’

যবে ঝরে এলোমেলো বায়ে ধীরে ফুল–রেণুকা।।
মধুমালতী–বেলা–বনে ঘনাও নেশা
স্বপন আনো জাগরণে মদিরা মেশা।

মন যবে রহে না ঘরে

বিরহ–লোকে সে বিহরে
যবে নিরাশার বালুচরে ওড়ে বালুকা।

Friday, October 6, 2017

chol chol chol-চল চল চল


চল চল চল
ঊর্দ্ধ গগনে বাজে মাদল
নিম্নে উতলা ধরণী তল
অরুণ প্রাতের তরুণ দল
চলরে চলরে চল।।
চল চল চল, চল চল চল, চল চল চল

ঊষার দুয়ারে হানি আঘাত
আমরা আনিব রাঙা প্রভাত
আমরা টুটিব তিমির রাত
বাঁধার বিন্ধ্যা চল।।

নব নবীনের গাহিয়া গান
সজীব করিব গোরস্থান
আমরা দানিব নতুন প্রাণ
বাহুতে নবীন বল।।

চলরে নওজোয়ান, শোনরে পাতিয়া কান
মৃত্যু তোরণ দুয়ারে দুয়ারে জীবনের আহ্বান
ভাঙ্গরে ভাঙ্গ আগল
চলরে চলরে চল।।
চল চল চল, চল চল চল, চল চল চল

ঊর্দ্ধ গগনে বাজে মাদল
নিম্নে উতলা ধরণী তল
অরুণ প্রাতের তরুণ দল
চলরে চলরে চল।।
চল চল চল, চল চল চল, চল চল চল

Cheyona shunoyona aar cheyeo na -চেওনা সুনয়না আর চেও না


চেওনা সুনয়না আর চেও না
এই নয়ন পানে
চেওনা এই নয়ন পানে

জানিতে নাই কো বাকি
সই ও আঁখি কি যাদু জানে

একে ঐ চাওনি বাঁকা সুরমা আঁকা
তাই ডাগর আঁখি
বধিতে তাই কেন সাজ
যে মরেছে ঐ আঁখির পানে

কাননে হরিন কাঁদে
সলিল ফাঁদে ঝুরছে সফরি
বাঁকায়ে ভুরুর ধনু ফুল ও তনু
কুসুম ……

জলিছে দিবস রাতি মোমের বাতি রূপের দেয়ালে
নিশিদিন তাই কি জ্বলি পুড়ছো কলি অঝোর নয়নে
মিছে তুই কথার কাঁটায় সুর বিঁধে হায়
আর ডাকিস কবি

বিকিয়ে যায় রে মালা আয় নিরালা
আঁখির দোকানে নিরালায়।।

Chander konna chand sultona-চাঁদের কন্যা চাঁদ সুলতানা



চাঁদের কন্যা চাঁদ সুলতানা, চাঁদের চেয়েও জ্যোতি |
তুমি দেখাইলে মহিমান্বিতা নারী কি শক্তিমতী ||
শিখালে কাঁকন চুড়ি পরিয়াও নারী,
ধরিতে পারে যে উদ্ধত তরবারি,
না রহিত অবরোধের দুর্গ, হতো না এ দুর্গতি ||
তুমি দেখালে নারীর শক্তি স্বরূপ — চিন্ময়ী কল্যাণী,
ভারত জয়ীর দর্প নাশিয়া মুছালে নারীর গ্লানি |
তুমি গোলকুন্ডার কোহিনূর হীরা সম,
আজো ইতিহাসে জ্বলিতেছ নিরুপম ;
রণরঙ্গিণী ফিরে এস,
তুমি ফিরিয়া আসিলে ফিরিয়া আসিবে লক্ষ্ণী ও সরস্বতী |

Chomke chomke dhiir viiru pay-চম্‌কে চম্‌কে ধীর ভীরু পায়



চম্‌কে চম্‌কে ধীর ভীরু পায়

পল্লী-বালিকা বন-পথে যায়

একেলা বন-পথে যায়।

সাড়ি তার কাঁটা-লতায়

জড়িয়ে জড়িয়ে যায়

পাগল হাওয়াতে অঞ্চল লয়ে মাতে

যেন তার তনুর পরশ চায়।

একেলা বনপথে যায়।

শিরীষের পাতায় নূপুর

বাজে তার ঝুমুর ঝুমুর

কুসুম ঝরিয়া মরিতে

চাহে তার কবরীতে,

পাখী গায় পাতার ঝরোকায়।

একেলা বনপথে যায়।

চাহি তার নীল নয়নে

হরিণী লুকায় বনে,

হাতে তার কাঁকন হতে

মাধবী লতা কাঁদে

ভ্রমরা কুন্তলে লুকায়।

একেলা বনপথে যায়।।

Chand heriche chand mukho tar-চাঁদ হেরিছে চাঁদমুখ তার


চাঁদ হেরিছে চাঁদমুখ তার সরসীর আরশিতে
ছোটে তরঙ্গ বাসনা ভঙ্গ সে অঙ্গ পরশিতে।

হেরিছে রজনী রজনী জাগিয়া
চকোর উতলা চাঁদের লাগিয়া
কাঁহা পিউ কাঁহা ডাকিছে পাপিয়া
কুমুদীরে কাঁদাইতে।

না জানি সজনী কত সে রজনী
কেঁদেছে চকোরী পাপিয়া

হেরেছে শশীরে সরসী মুকুরে
ভীরু ছায়া তরু কাঁপিয়া।
কেঁদেছে আকাশে চাঁদের ঘরণী
চিরবিরহিণী রোহিণী ভরণী
অবশ আকাশ বিবশা ধরণী
কাঁদানীয়া চাঁদিনীতে।।

Brojo gopii khele hori-ব্রজ গোপী খেলে হরি


ব্রজ গোপী খেলে হরি
খেলে আনন্দ নবঘন শ্যাম সাথে।
রাঙা অধরে ঝরে হাসির কুম্‌কুম্‌
অনুরাগ-আবীর নয়ন-পাতে।
পিরীতি-ফাগ মাখা গৌরীর সঙ্গে
হরি খেলে হরি উন্মাদ রঙ্গে।
বসন্তে এ কোন কিশোর দুরন্ত
রাধারে যে নিতে এলো পিচকারী হাতে।।
গোপীনীরা হানে অপাঙ্গ খর শর
ভ্রুকুটি ভঙ্গ অনঙ্গ আবেশে
জর জর থর থর শ্যামের অঙ্গ।
শ্যামল তনুতে হরিত কুঞ্জে
অশোক ফুটেছে যেন পুঞ্জে পুঞ্জে
রঙ-পিয়াসী মন ভ্রমর গুঞ্জে
ঢালো আরো ঢালো রঙ
প্রেম-যমুনাতে।।

Beli phol ene dao -বেল ফুল এনে দাও চাই না বকুল


বেল ফুল এনে দাও চাই না বকুল
চাই না হেনা, আনো আমের মুকুল।।
গোলাপ বড় গরবী
এনে দাও কবরী
চাইতে যুথী আনো টগর-কি ভুল।।
কি হবে কেয়া, দেয়া নাই গগনে;
আনো সন্ধ্যামালতী গোধুলী-লগনে।
গিরি-মল্লিকা কই’
চামেলী পেয়েছে সই
চাঁপা এনে দাও, নয় বাঁধব না চুল।।

Bolechile tumi tiirthe ashibe-বলেছিলে তুমি তীর্থে আসিবে


বলেছিলে তুমি তীর্থে আসিবে আমার তনুর তীরে।
তুমি আসিলে না, (হায়!) আশার সূর্য ডুবিল সাগর-নীরে।।

চলে যাই যদি, চিরদিন মনে
তোমার সে-কথা রহিবে স্মরণে
শুধু সেই কথা শোনার লাগিয়া হয়তো আসিব ফিরে।।

শুধু সেই আশে হয়তো এ তনু মরণে হবে না লীন
পথ চেয়ে চেয়ে, তব নাম গেয়ে বাজাব বিরহ-বীণ।

হের গো, আমার যাবার সময় হলো
তোমার সে-কথা মিথ্যা হবে না বলো,
কোন শুভক্ষণে নিমেষের তরে জড়াবে কন্ঠ ঘিরে।।

Bulite parine tai ashiacho-ভুলিতে পারিনে তাই আসিয়াছ




ভুলিতে পারিনে তাই আসিয়াছি পথ ভুলি
ভোলো মোর সে অপরাধ, আজ যে লগ্ন গোধূলি।

এমনি রঙিন বেলায় খেলেছি তোমায় আমায়
খুঁজিতে এসেছি তাই সেই হারানো দিনগুলি।

তুমি যে গেছ ভুলে, ছিল না আমার মনে
তাই আসিয়াছি তব বেড়া দেওয়া ফুলবনে
গেঁথেছি কতই মালা এই বাগানের ফুল তুলি
আজও হেথা গাহে গান আমার পোষা বুল্‌বুলি।

চাহ মোর মুখে প্রিয়, এস গো আরও কাছে
হয়তো সে দিনের স্মৃতি তব নয়নে আছে
হয়তো সে দিনের মতই প্রাণ উঠিবে আকুলি।।

Bhuli kemone ajo je mone bedon -ভুলি-কেমনে-আজও-যে-মনে-বেদন



ভুলি কেমনে আজও যে মনে বেদনা সনে রহিল আঁকা
আজও সজনি দিনরজনী সে দিনে গনি সকলি ফাঁকা।

আগে মন করলে চুরি মর্মে শেষে হানলে ছুরি
এত শঠতা এত যে ব্যথা, তবু যেন তা মধুতে মাখা।

চকোরী দেখলে চাঁদে দূর থেকে সই আজও কাঁদে
আজও বাদলে ঝুলন ঝুলে তেমনি জলে চলে বলাকা।

বকুলের তলায় দোদুল কাজলা মেয়ে কুড়ায় লো ফুল
চলে নাগরী কাঁখে গাগরী চরণ ভারী কোমর বাঁকা।

তরুরা রিক্তপাতা আসলো যে তাই ফুল বারতা
ফুলেরা বোলে ধরেছে বলে ভরেছে ফলে বিটপীশাখা।

ডালে তোর করলে আঘাত দিস রে কবি ফুল সওগাত
ব্যাথা মুকুলে অলি না ছুঁলে বনে কি দুলে ফুল পতাকা।।

Wednesday, October 4, 2017

Amay nohe go valobasho shudhu - আমায় নহে গো ভালোবাসো শুধু

সুরকারঃ কাজী নজরুল ইসলাম
গীতিকারঃ কাজী নজরুল ইসলাম


আমায় নহে গো ভালোবাসো শুধু
ভালোবাসো মোর গান
বনের পাখিরে কে চিনে রাখে
গান হলে অবসান ।

চাঁদেরে কে চায় জোসনা সবাই যাচে
গীত শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি মাঝে
তুমি বুঝিবে না
আলো দিতে কত পোড়ে
কত প্রদীপের প্রাণ ।

যে কাটা লতার আখিঁজল
ফুল হয়ে উঠে ফুটে
ফুল নিয়ে তার দিয়েছো কি কিছু
শূন্য পত্র পুটে ।

সবাই তৃষ্ণা মেটায় নদীর জলে
কি তৃষা জাগে সে নদীর হিয়া তলে
বেদনার মহা সাগরের কাছে করো সন্ধান ।

Alga koro go khupar badhon- আলগা-করো-গো-খোঁপার-বাঁধন

সুরকারঃ কাজী নজরুল ইসলাম
গীতিকারঃ কাজী নজরুল ইসলাম


আলগা করো গো খোঁপার বাঁধন
দিল ওহি মেরা ফাস গ্যেয়ি।
বিনোদ বেণীর জরীণ ফিতায়
আন্ধা ইশক মেরা কাছ গ্যেয়ি।।

তোমার কেশের গন্ধে কখন
লুকায়ে আসিলো লোভী আমার মন।
বেহুঁশ ওকার গিরপরি হাতো ম্যে
বাজুবন্দ ম্যে বাছ গ্যেয়ি।।

কানেরও দুলে প্রান রাখিলে বিধিয়া
আঁখফিরা দিয়া চরিকার নিন্দিয়া।

দেহের ও দেউড়িতে বেরাতে আসিয়া
অর নেহি ও ওয়াপাস গ্যেয়ি।।

Amar noyone noyon rekhi - আমার-নয়নে-নয়ন-রাখি

গীতিকারঃ কাজী নজরুল ইসলাম
বিভাগঃ নজরুল গীতি

আমার নয়নে নয়ন রাখি
পান করিতে চাও কোন অমিয়
আছে আঁখিতে উষ্ণ আঁখিজল
মধুর সুধা নাই পরান প্রিয়।।

ওগো ও শিল্প গলাইয়া মোরে
গড়িতে চাও কোন মানস প্রতীমারে
ওগো ও পূজারী কেন এ আরতী
জাগাতে পাষাণ প্রণয় দেবতারে।

এ দেহ বৃন্দারে থাকে যদি- মোরে
ওগো প্রেমাষ্পদ পিও গো পিও।

আমারে করো গুণী তোমার বীনা
কাঁদিব সুরে সুরে কণ্ঠলীনা
আমারই মুখের মুকুরে কবি
হেরিতে চাও কোন মানসীর ছবি।

চাহ যদি মোরে করো গো চন্দন
তপ্ত তনু তব শীতল করিও।।

Amar ganer mama - আমার-গানের-মালা

গীতিকারঃ কাজী নজরুল ইসলাম
বিভাগঃ নজরুল গীতি


আমার গানের মালা
আমি করব কারে দান।
মালার ফুলে জড়িয়ে আছে
করুণ অভিমান।
মালা করব কারে দান।।

চোখে মলিন কাজল রেখা
কন্ঠে কাঁদে কুহু কেকা।
কপোলে যার অশ্রু রেখা
একা যাহার প্রাণ।।

শাঁখায় ছিল কাঁটার বেদন
মালায় শুচির জ্বালা।
কন্ঠে দিতে সাহস না পাই
অভিশাপের মালা।।

বিরহে যার প্রেমারতি
আঁধার লোকের অরুণধুতি।।
নাম না জানা সেই তপোতী
তার তরে এই গান।।

Thursday, January 19, 2017

Ami potho monjurii-আমি পথ-মঞ্জুরী



আমি পথ-মঞ্জুরী ফুটেছি আঁধার রাতে,
গোপন অশ্রু-সম রাতের নয়ন-পাতে।

দেবতা চাহেনা মোরে,
গাঁথে না মালার ডোরে,
অভিমানে তাই ভোরে শুকাই শিশির-সাথে।।

মধুর সুরভি ছিল আমার পরাণ ভরা,
আমার কামনা ছিল মালা হ’য়ে ঝ’রে পড়া।

ভালবাসা পেয়ে যদি
কাঁদিতাম নিরবধি,
সে বেদনা ছিল ভাল সুখ ছিল সে কাঁদাতে।

Ajo kande kanone-আজো কাঁদে কাননে



আজো কাঁদে কাননে কোয়েলিয়া।
চম্পা কুঞ্জে আজো গুঞ্জে ভ্রমরা-কুহরিছে পাপিয়া।।

প্রেম-কুসুম শুকাইয়া গেল হায়!
প্রাণ-প্রদীপ মোর হের গো নিভিয়া যায়,
বিরহী এসে ফিরিয়া।।

তোমারি পথ চাহি হে প্রিয় নিশিদিন
মালার ফুল মোর ধুলায় হ’ল মলিন
জনম গেল ঝুরিয়া।।